বাংলাদেশ ১১:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্রীমঙ্গলে কিশোরীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে ৩ আসামি গ্রেফতার, একজনের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে অপহরণ করে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ।
৩০ সেপ্টেম্বর (বুধবার) সকাল সোয়া ১১টার দিকে হবিগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন শাহী ঈদগাহ মাঠের পাশ থেকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন শ্রীমঙ্গলের ইছবপুর গ্রামের দুলাল মিয়া (৩১), হবিগঞ্জ সদর উপজেলার চানপুর গ্রামের মো. জুয়েল মিয়া ওরফে সোহেল (২৬) এবং একই উপজেলার রিচি গ্রামের আল আমিন ইসলাম (২০)। জুয়েল মিয়া ওরফে সোহেল বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে ভিকটিম কিশোরী কর্মস্থলে যাওয়ার পথে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার উকিল বাড়ী রোড এলাকায় পৌঁছালে আসামিরা একটি অটোরিকশাযোগে তাকে জোরপূর্বক তুলে নেন। পরে ইছবপুর এলাকায় দুলাল মিয়ার ভাড়া করা বাসায় নিয়ে তাকে আটকে রাখা হয়। সেখানে আসামিরা ভিকটিমের জোরপূর্বক ধর্ষণ  করেন।

পরদিন সকালে আসামিরা ভিকটিমকে শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশনে রেখে চলে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঘটনার পর ভিকটিমের পিতা শ্রীমঙ্গল থানায় অভিযোগ দায়ের করলে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের ধারাবাহিকতায় ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল সোয়া ১১টার দিকে হবিগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন শাহী ঈদগাহ মাঠের পাশ থেকে জুয়েল মিয়া ওরফে সোহেলকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইছবপুরে দুলাল মিয়ার ভাড়া বাসা থেকে দুলাল মিয়া ও আল আমিন ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত জুয়েল মিয়া ওরফে সোহেল বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

TCV/- শ্রীমঙ্গল

শ্রীমঙ্গলে কিশোরীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে ৩ আসামি গ্রেফতার, একজনের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি

প্রকাশিত: ১১:০৮:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে অপহরণ করে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ।
৩০ সেপ্টেম্বর (বুধবার) সকাল সোয়া ১১টার দিকে হবিগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন শাহী ঈদগাহ মাঠের পাশ থেকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন শ্রীমঙ্গলের ইছবপুর গ্রামের দুলাল মিয়া (৩১), হবিগঞ্জ সদর উপজেলার চানপুর গ্রামের মো. জুয়েল মিয়া ওরফে সোহেল (২৬) এবং একই উপজেলার রিচি গ্রামের আল আমিন ইসলাম (২০)। জুয়েল মিয়া ওরফে সোহেল বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে ভিকটিম কিশোরী কর্মস্থলে যাওয়ার পথে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার উকিল বাড়ী রোড এলাকায় পৌঁছালে আসামিরা একটি অটোরিকশাযোগে তাকে জোরপূর্বক তুলে নেন। পরে ইছবপুর এলাকায় দুলাল মিয়ার ভাড়া করা বাসায় নিয়ে তাকে আটকে রাখা হয়। সেখানে আসামিরা ভিকটিমের জোরপূর্বক ধর্ষণ  করেন।

পরদিন সকালে আসামিরা ভিকটিমকে শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশনে রেখে চলে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঘটনার পর ভিকটিমের পিতা শ্রীমঙ্গল থানায় অভিযোগ দায়ের করলে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের ধারাবাহিকতায় ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল সোয়া ১১টার দিকে হবিগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন শাহী ঈদগাহ মাঠের পাশ থেকে জুয়েল মিয়া ওরফে সোহেলকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইছবপুরে দুলাল মিয়ার ভাড়া বাসা থেকে দুলাল মিয়া ও আল আমিন ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত জুয়েল মিয়া ওরফে সোহেল বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

TCV/- শ্রীমঙ্গল