বাংলাদেশ ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মৌলভীবাজারে প্রতিপক্ষকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা, গ্রেফতার ১

মৌলভীবাজারে পূর্ববিরোধের জেরে এক ব্যক্তিকে অপহরণ করে মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং তাঁর বাসায় রিভলবার রেখে অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। এ ঘটনায় অস্ত্র আইন ও অপহরণের অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ০৪ নভেম্বর দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে একটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ বড়কাঁপন আবাসিক এলাকার শফিকুল ইসলাম লিটনের ভাড়া বাসায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সংবাদদাতার সহযোগী পরিচয়ে একই গ্রামের তুহিন আহমদ (৪৭), ফাহিম আহমদ (২২) ও বাবুল মিয়া (২৬) পুলিশের সঙ্গে ওই বাসায় যান। বাসা তল্লাশির সময় তাঁদের অতি উৎসাহী ভূমিকা এবং পরবর্তীতে অস্ত্র বের করে দেওয়ার বিষয়টি পুলিশের সন্দেহ হলে অস্ত্র উপস্থাপনকারী তুহিন আহমদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা অপর দুজন পালিয়ে যান।

পরবর্তীতে পুলিশ বাসার ভাড়াটিয়া শফিকুল ইসলাম লিটনকে আহত অবস্থায় দেখতে পায়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, গত ৩ নভেম্বর রাত আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে পূর্ববিরোধের জেরে মৌলভীবাজার পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মাসুদ আহমদের (মাসুদ কমিশনার) নেতৃত্বে তুহিন, ফাহিম, বাবুলসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জন মাদক সেবনের অজুহাতে তাঁকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায়। পরে মাসুদ আহমদের বাসার একটি অন্ধকার কক্ষে তাঁকে মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে হাতে একটি রিভলবার দিয়ে ছবি ও ভিডিও ধারণ করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, পরবর্তীতে মাসুদ আহমদের নির্দেশে তুহিনের নেতৃত্বে কয়েকজন আহত লিটনকে রাত আনুমানিক ২টার দিকে তাঁর বাসায় ফিরিয়ে নিয়ে আসে এবং তাঁকে অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে চারটি গুলিসহ একটি রিভলবার বাসার সোফার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে তাঁরাই পুলিশকে খবর দেয়।

মৌলভীবাজার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন চন্দ্র সরকার জানান, এ ঘটনায় তুহিন আহমদকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় অস্ত্র আইন, ১৮৭৮ এবং অপহরণের অভিযোগে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের হয়েছে। মামলা নম্বর ৫(১১)২০২৬ ও ৬(১১)২০২৬। আটক আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

TCV/- মৌলভীবাজার

মৌলভীবাজারে প্রতিপক্ষকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা, গ্রেফতার ১

প্রকাশিত: ১২:৩৫:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

মৌলভীবাজারে পূর্ববিরোধের জেরে এক ব্যক্তিকে অপহরণ করে মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং তাঁর বাসায় রিভলবার রেখে অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। এ ঘটনায় অস্ত্র আইন ও অপহরণের অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ০৪ নভেম্বর দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে একটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ বড়কাঁপন আবাসিক এলাকার শফিকুল ইসলাম লিটনের ভাড়া বাসায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সংবাদদাতার সহযোগী পরিচয়ে একই গ্রামের তুহিন আহমদ (৪৭), ফাহিম আহমদ (২২) ও বাবুল মিয়া (২৬) পুলিশের সঙ্গে ওই বাসায় যান। বাসা তল্লাশির সময় তাঁদের অতি উৎসাহী ভূমিকা এবং পরবর্তীতে অস্ত্র বের করে দেওয়ার বিষয়টি পুলিশের সন্দেহ হলে অস্ত্র উপস্থাপনকারী তুহিন আহমদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা অপর দুজন পালিয়ে যান।

পরবর্তীতে পুলিশ বাসার ভাড়াটিয়া শফিকুল ইসলাম লিটনকে আহত অবস্থায় দেখতে পায়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, গত ৩ নভেম্বর রাত আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে পূর্ববিরোধের জেরে মৌলভীবাজার পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মাসুদ আহমদের (মাসুদ কমিশনার) নেতৃত্বে তুহিন, ফাহিম, বাবুলসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জন মাদক সেবনের অজুহাতে তাঁকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায়। পরে মাসুদ আহমদের বাসার একটি অন্ধকার কক্ষে তাঁকে মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে হাতে একটি রিভলবার দিয়ে ছবি ও ভিডিও ধারণ করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, পরবর্তীতে মাসুদ আহমদের নির্দেশে তুহিনের নেতৃত্বে কয়েকজন আহত লিটনকে রাত আনুমানিক ২টার দিকে তাঁর বাসায় ফিরিয়ে নিয়ে আসে এবং তাঁকে অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে চারটি গুলিসহ একটি রিভলবার বাসার সোফার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে তাঁরাই পুলিশকে খবর দেয়।

মৌলভীবাজার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন চন্দ্র সরকার জানান, এ ঘটনায় তুহিন আহমদকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় অস্ত্র আইন, ১৮৭৮ এবং অপহরণের অভিযোগে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের হয়েছে। মামলা নম্বর ৫(১১)২০২৬ ও ৬(১১)২০২৬। আটক আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

TCV/- মৌলভীবাজার