বাংলাদেশ ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজধানীতে বিএনপি নেতাকে গুলি, পথচারী নারীসহ আহত ২

রাজধানীর মিরপুর ১১ নম্বরে দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে বিএনপি নেতাসহ দুজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে বিএনপি নেতা ও মাছের আড়তদার আলমগীর হোসেনকে (৪৫) ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (লালবাগ–নবাবগঞ্জ রোড) ২৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেলে আলমগীর মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের ‘বি’ ব্লকে একটি চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়লে আলমগীর ও পথচারী এক নারী আহত হন। এ ঘটনায় আলমগীরের মাথা ও পিঠের দিকে তিনটি গুলি লাগে।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, আহত পথচারী জোসনা (৬৫) মিরপুর ১১ নম্বরের ‘বি’ ব্লকের বাসিন্দা। তাঁর পায়ে একটি গুলি লেগেছে। তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আলমগীর বলেন, একটি প্রাইভেট কার থেকে ৪ জন সন্ত্রাসী নেমে তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে আবার ওই গাড়িতে উঠে পালিয়ে যায়। হামলাকারী দুজনকে তিনি চিনতে পেরেছেন। তারা হলেন যুবলীগের রুবেল ও বাপ্পী। তারা কেন তার ওপর হামলা চালিয়েছেন, তা তিনি জানেন না।

আলমগীর জানান, পুরান ঢাকার সোয়ারীঘাটে তার ভাইয়ের সঙ্গে তিনি মাছের আড়তের ব্যবসা করেন এবং নবাবগঞ্জ রোডে তাদের বাড়ি। লালবাগ–নবাবগঞ্জ রোড ২৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য তিনি। তবে সপরিবার মিরপুর ১১ নম্বরের ‘বি’ ব্লকে থাকেন।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির বলেন, স্থানীয় সন্ত্রাসী রুবেল ওরফে ল্যাংড়া রুবেল আলমগীরকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে আলমগীর ও একজন পথচারী আহত হন। হামলার কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

রাজধানীতে বিএনপি নেতাকে গুলি, পথচারী নারীসহ আহত ২

প্রকাশিত: ০৯:২৯:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীর মিরপুর ১১ নম্বরে দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে বিএনপি নেতাসহ দুজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে বিএনপি নেতা ও মাছের আড়তদার আলমগীর হোসেনকে (৪৫) ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (লালবাগ–নবাবগঞ্জ রোড) ২৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেলে আলমগীর মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের ‘বি’ ব্লকে একটি চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়লে আলমগীর ও পথচারী এক নারী আহত হন। এ ঘটনায় আলমগীরের মাথা ও পিঠের দিকে তিনটি গুলি লাগে।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, আহত পথচারী জোসনা (৬৫) মিরপুর ১১ নম্বরের ‘বি’ ব্লকের বাসিন্দা। তাঁর পায়ে একটি গুলি লেগেছে। তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আলমগীর বলেন, একটি প্রাইভেট কার থেকে ৪ জন সন্ত্রাসী নেমে তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে আবার ওই গাড়িতে উঠে পালিয়ে যায়। হামলাকারী দুজনকে তিনি চিনতে পেরেছেন। তারা হলেন যুবলীগের রুবেল ও বাপ্পী। তারা কেন তার ওপর হামলা চালিয়েছেন, তা তিনি জানেন না।

আলমগীর জানান, পুরান ঢাকার সোয়ারীঘাটে তার ভাইয়ের সঙ্গে তিনি মাছের আড়তের ব্যবসা করেন এবং নবাবগঞ্জ রোডে তাদের বাড়ি। লালবাগ–নবাবগঞ্জ রোড ২৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য তিনি। তবে সপরিবার মিরপুর ১১ নম্বরের ‘বি’ ব্লকে থাকেন।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির বলেন, স্থানীয় সন্ত্রাসী রুবেল ওরফে ল্যাংড়া রুবেল আলমগীরকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে আলমগীর ও একজন পথচারী আহত হন। হামলার কারণ জানতে তদন্ত চলছে।