গত ১৬ সেপ্টেম্বর পঞ্চগড়ে এক নারীসহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের স্থানীয় নেতা ও মসজিদের খতিব মো. শহিদুল ইসলামকে আটকের ঘটনাটি সম্প্রতি ফেসবুকে ভুয়া তথ্যে ভাইরাল হয়েছে। মূল ঘটনায় আটক ব্যক্তি বিএনপির সহযোগী সংগঠন ওলামা দলের নেতা হওয়া সত্ত্বেও, তাঁকে ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’র নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে ফেসবুকে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
দেখুন এখানে এবং এখানে (আর্কাইভ)।
তবে গণমাধ্যমগুলোর সংবাদ পর্যালোচনায় দেখা যায়, মেয়ে নিয়ে আটক হওয়া ব্যক্তি জামায়াতের কোনো নেতা বা সদস্য নন।
‘দৈনিক আমাদের সময়’ ও ‘বার্তা বাজার’-এ গত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত দুটি প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হয়।
আমাদের সময়ের প্রতিবেদন দেখুন এখানে এবং এখানে (আর্কাইভ)।
বার্তা বাজারের প্রতিবেদন দেখুন এখানে এবং এখানে (আর্কাইভ)।
মূল সংবাদ প্রতিবেদনগুলো পর্যালোচনা করে জানা যায়, গত ১৬ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) রাতে পঞ্চগড় চিনিকল কলোনি কোয়ার্টার থেকে এক তরুণীসহ স্থানীয়দের হাতে আটক হন মো. শহিদুল ইসলাম।
তিনি পঞ্চগড় জেলা ওলামা দলের সদস্য এবং পঞ্চগড় সুগার মিল জামে মসজিদের খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমানের বক্তব্যের বরাতে গণমাধ্যমগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে, উত্তেজিত জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে নারীসহ শহিদুলকে থানা হেফাজতে আনা হয় এবং পরবর্তীতে তাঁকে ৫১ ধারায় আদালতে সোপর্দ করা হয়।









