বাংলাদেশ ১২:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুয়েত, মালয়েশিয়া ও লিবিয়া থেকে দেশে এলো ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ

কুয়েত, মালয়েশিয়া ও লিবিয়া থেকে ৩৪ জন প্রবাসী বাংলাদেশির মরদেহ পৃথক ফ্লাইটে দেশে এসে পৌঁছেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মরদেহগুলো দীর্ঘদিন সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে আটকে ছিল।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) এসব মরদেহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।
দেশে পৌঁছানো মরদেহগুলোর মধ্যে কুয়েত (ফ্লাইট KU-5283) থেকে ৩০ জন, মালয়েশিয়া (ফ্লাইট BS-316) থেকে ২ জন এবং লিবিয়া (ফ্লাইট QR-640) থেকে ২ জন প্রবাসীর মরদেহ এসেছে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম জানিয়েছেন, মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তরের সময় সরকারের ওয়েজ অনার্স কল্যাণ বোর্ড থেকে দাফন ও অন্যান্য খরচ বাবদ প্রতিটি পরিবারকে ৩৫,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মৃত প্রবাসীদের পরিবার অন্য কোনো আর্থিক সুবিধা বা বিমার পাওনা পাওয়ার যোগ্য হলে তা দ্রুততম সময়ে দেওয়া হবে।
স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তরের সময় বিমানবন্দরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ওয়েজ অনার্স কল্যাণ বোর্ডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
জনপ্রিয়

কুয়েত, মালয়েশিয়া ও লিবিয়া থেকে দেশে এলো ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ

প্রকাশিত: ১০:৫০:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
কুয়েত, মালয়েশিয়া ও লিবিয়া থেকে ৩৪ জন প্রবাসী বাংলাদেশির মরদেহ পৃথক ফ্লাইটে দেশে এসে পৌঁছেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মরদেহগুলো দীর্ঘদিন সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে আটকে ছিল।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) এসব মরদেহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।
দেশে পৌঁছানো মরদেহগুলোর মধ্যে কুয়েত (ফ্লাইট KU-5283) থেকে ৩০ জন, মালয়েশিয়া (ফ্লাইট BS-316) থেকে ২ জন এবং লিবিয়া (ফ্লাইট QR-640) থেকে ২ জন প্রবাসীর মরদেহ এসেছে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম জানিয়েছেন, মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তরের সময় সরকারের ওয়েজ অনার্স কল্যাণ বোর্ড থেকে দাফন ও অন্যান্য খরচ বাবদ প্রতিটি পরিবারকে ৩৫,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মৃত প্রবাসীদের পরিবার অন্য কোনো আর্থিক সুবিধা বা বিমার পাওনা পাওয়ার যোগ্য হলে তা দ্রুততম সময়ে দেওয়া হবে।
স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তরের সময় বিমানবন্দরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ওয়েজ অনার্স কল্যাণ বোর্ডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।