বাংলাদেশ ০৯:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজনগরে হাছান চৌধুরী নামের যুবক কর্তৃক সাংবাদিকরের দেড় লক্ষ টাকা অত্বসাৎঃ আদালতে মামলা

মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার হাছান উদ্দিন চৌধুরী নামের যুবক এক সাংবাদিকের দেড় লক্ষ অত্বসাৎ করেছেন। ওই ঘঠনায় সালিশি বৈঠকসহ স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন উদ্ধারের প্রক্রিয়া চালিয়ে ব্যর্থ হলে ওই  সাংবাদিক আদালতে চেক ডিজঅনার মামলা দায়ের করেছেন। বর্তমানে মামলার নং ৮০২/২৫ জেলা দায়রা জজের ১নং আদালতে রয়েছে। আগামী ১৬ জুন মামলার স্বাক্ষীর তারিখ নির্ধারন করেছে অদালত।

স্থানীয় সূত্রে ও সাংবাদিক মাধ্যমে জানা যায়, পূর্ব পরিচিত থাকার সুবাদে মৌলভীবাজার শহরের সাংবাদিক মো: আব্দুল ওয়াদুদ‘র কাছ থেকে বছর খানেক পূর্ব হাছান চৌধুরী ওরফে সায়মন ২ লক্ষ টাকা নেন । পরবর্তীতে ১ লক্ষ ৪৯ হাজার ৫শ টাকার একটি চেক হাতে তুলে দেন । টাকা তুলতে ইউনিয়ন ব্যাংকে গেলে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় উঠাতে পারেননি তিনি। পরে লাগাতার বছর খানেক হযরানির পর হাছান চৌধুরীকে চেীমুহনায় পেলে সাংবাদিকের আত্বীয়রা টাকার জন্য দাড় করিয়ে রাখেন । পরবর্তীতে স্থানীয় সালিশি ব্যক্তিত্ব মামুনুর রশিদ ও আব্দুর রহমান এগিয়ে এলে হাছান চৌধুরীর চাচা কাজী জালাল উদ্দিন মুঠোফোনে কথা বলেন । তিনি টাকা উদ্ধার করে দেবেন মর্মে তাকে ছেরে দেওয়া হয় । এর পর তার কাছ থেকে কোন টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। হাছান চৌধুরীর চাচা কাজী জালাল উদ্দিন রাজনগর নির্বাচন অফিসের সম্মুখে কাজী কম্পিউটার নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলেছেন । এটি নামে কম্পিউটারের দােকান হলেও পিচনে চলে দালালীর ব্যবসা । হাছান জাতীয় পরিচয় তৈরি সহ নানা কাজের দালালী করেন । বহু মানুষের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে দালালী করে টাকা অত্বসাতের ।

মৌলভীবাজার শহরের স্থানীয় সালিশি ব্যক্তিত্ব মামুনুর রশিদ ও অব্দুর রহমান বলেন, হাছানকে টাকার জন্য চৌমুহনা এলাকায় সাংবাদিকের অত্বীয়রা আটকে রেখেছিল। আমরা তার চাচা কাজী জালালের অনুরুধে তাকে  ছেড়ে দেই । কিন্ত কাজী উনার টাকা উদ্ধার করে দেননি। পরে উনি আদালতে মামলা করেন । আমাদের তো মনে হচ্ছে চাচা বাতিজা মিলে এসব ধান্দা করেন।  এদিকে টাকা পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে হাছান চৌধুরিী প্রতিবেদক কে মুঠোফোনে বলেন, আমি তো উনাকে টাকা দিয়ে ফেলেছি। তবে উনার কাছে আমার একটি চেক রয়েছে। উনি আদালতে মামলাও করেছেন।

বিষয়টি জানতে চাইলে চাচা কাজী  জালাল টাকা পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, যারা সমযোতায় কথা বলেছেন তাদের সাথে যোগাযোগ করেন।

রাজনগরে হাছান চৌধুরী নামের যুবক কর্তৃক সাংবাদিকরের দেড় লক্ষ টাকা অত্বসাৎঃ আদালতে মামলা

প্রকাশিত: ০৬:২৭:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার হাছান উদ্দিন চৌধুরী নামের যুবক এক সাংবাদিকের দেড় লক্ষ অত্বসাৎ করেছেন। ওই ঘঠনায় সালিশি বৈঠকসহ স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন উদ্ধারের প্রক্রিয়া চালিয়ে ব্যর্থ হলে ওই  সাংবাদিক আদালতে চেক ডিজঅনার মামলা দায়ের করেছেন। বর্তমানে মামলার নং ৮০২/২৫ জেলা দায়রা জজের ১নং আদালতে রয়েছে। আগামী ১৬ জুন মামলার স্বাক্ষীর তারিখ নির্ধারন করেছে অদালত।

স্থানীয় সূত্রে ও সাংবাদিক মাধ্যমে জানা যায়, পূর্ব পরিচিত থাকার সুবাদে মৌলভীবাজার শহরের সাংবাদিক মো: আব্দুল ওয়াদুদ‘র কাছ থেকে বছর খানেক পূর্ব হাছান চৌধুরী ওরফে সায়মন ২ লক্ষ টাকা নেন । পরবর্তীতে ১ লক্ষ ৪৯ হাজার ৫শ টাকার একটি চেক হাতে তুলে দেন । টাকা তুলতে ইউনিয়ন ব্যাংকে গেলে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় উঠাতে পারেননি তিনি। পরে লাগাতার বছর খানেক হযরানির পর হাছান চৌধুরীকে চেীমুহনায় পেলে সাংবাদিকের আত্বীয়রা টাকার জন্য দাড় করিয়ে রাখেন । পরবর্তীতে স্থানীয় সালিশি ব্যক্তিত্ব মামুনুর রশিদ ও আব্দুর রহমান এগিয়ে এলে হাছান চৌধুরীর চাচা কাজী জালাল উদ্দিন মুঠোফোনে কথা বলেন । তিনি টাকা উদ্ধার করে দেবেন মর্মে তাকে ছেরে দেওয়া হয় । এর পর তার কাছ থেকে কোন টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। হাছান চৌধুরীর চাচা কাজী জালাল উদ্দিন রাজনগর নির্বাচন অফিসের সম্মুখে কাজী কম্পিউটার নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলেছেন । এটি নামে কম্পিউটারের দােকান হলেও পিচনে চলে দালালীর ব্যবসা । হাছান জাতীয় পরিচয় তৈরি সহ নানা কাজের দালালী করেন । বহু মানুষের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে দালালী করে টাকা অত্বসাতের ।

মৌলভীবাজার শহরের স্থানীয় সালিশি ব্যক্তিত্ব মামুনুর রশিদ ও অব্দুর রহমান বলেন, হাছানকে টাকার জন্য চৌমুহনা এলাকায় সাংবাদিকের অত্বীয়রা আটকে রেখেছিল। আমরা তার চাচা কাজী জালালের অনুরুধে তাকে  ছেড়ে দেই । কিন্ত কাজী উনার টাকা উদ্ধার করে দেননি। পরে উনি আদালতে মামলা করেন । আমাদের তো মনে হচ্ছে চাচা বাতিজা মিলে এসব ধান্দা করেন।  এদিকে টাকা পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে হাছান চৌধুরিী প্রতিবেদক কে মুঠোফোনে বলেন, আমি তো উনাকে টাকা দিয়ে ফেলেছি। তবে উনার কাছে আমার একটি চেক রয়েছে। উনি আদালতে মামলাও করেছেন।

বিষয়টি জানতে চাইলে চাচা কাজী  জালাল টাকা পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, যারা সমযোতায় কথা বলেছেন তাদের সাথে যোগাযোগ করেন।