বাংলাদেশ ১০:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লোকসভায় নরেন্দ্র মোদির বড় পরাজয়

ভারতের লোকসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের বড় পরাজয় হয়েছে। নারী আসন সংরক্ষণ ও লোকসভার আসন সংখ্যা বৃদ্ধির সংশোধনী বিল পাশ করতে ব্যর্থ হয়েছে। পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে এই সংবিধান সংশোধনী বিল এনেছিল নরেন্দ্র মোদি সরকার।

নারীদের জন্য আসন সংরক্ষণের এই প্রস্তাবটি কার্যকর করতে হলে সংবিধান সংশোধন করতে হত, আর তার জন্য সভার অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ ভোট দরকার ছিল।

তবে সেই সংখ্যক ভোট পেতে ভারতের ক্ষমতাসীন এনডিএ জোট ব্যর্থ হয়েছে। বিলটির পক্ষে ২৯৮টি এবং বিপক্ষে ২৩০টি ভোট পড়েছে।

সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেছেন, বাকি দুটি সংশোধনী বিল নিয়ে আর অগ্রসর না হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সংসদে নারীদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ প্রদানকারী আইনের সংশোধন এবং নির্বাচনি আসনের সীমানা নির্ধারণ সম্পর্কিত বিলগুলো নিয়ে শাসক ও বিরোধী সংসদ সদস্যদের মধ্যে বিতর্কের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ লোকসভায় বিরোধীদের জবাব দেন এবং তারপর ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়।

লোকসভায় বিতর্ক চলাকালীনই প্রায় আড়াই বছর আগে পাশ হয়ে যাওয়া নারী সংরক্ষণ আইনটি হঠাৎ করেই কার্যকর করে দেওয়া হয় বৃহস্পতিবার ১৬ই এপ্রিল থেকে।

এই আইনে সংসদ ও রাজ্য বিধানসভাগুলিতে নারীদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে, সরকারের প্রস্তাবিত সংবিধান (১৩১তম সংশোধনী) বিল ২০২৬-এ বলা হয়েছে যে, আসন সংরক্ষণ কার্যকর করা হবে নির্বাচনি আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের ভিত্তিতে।

লোকসভায় নরেন্দ্র মোদির বড় পরাজয়

প্রকাশিত: ১০:০৫:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

ভারতের লোকসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের বড় পরাজয় হয়েছে। নারী আসন সংরক্ষণ ও লোকসভার আসন সংখ্যা বৃদ্ধির সংশোধনী বিল পাশ করতে ব্যর্থ হয়েছে। পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে এই সংবিধান সংশোধনী বিল এনেছিল নরেন্দ্র মোদি সরকার।

নারীদের জন্য আসন সংরক্ষণের এই প্রস্তাবটি কার্যকর করতে হলে সংবিধান সংশোধন করতে হত, আর তার জন্য সভার অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ ভোট দরকার ছিল।

তবে সেই সংখ্যক ভোট পেতে ভারতের ক্ষমতাসীন এনডিএ জোট ব্যর্থ হয়েছে। বিলটির পক্ষে ২৯৮টি এবং বিপক্ষে ২৩০টি ভোট পড়েছে।

সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেছেন, বাকি দুটি সংশোধনী বিল নিয়ে আর অগ্রসর না হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সংসদে নারীদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ প্রদানকারী আইনের সংশোধন এবং নির্বাচনি আসনের সীমানা নির্ধারণ সম্পর্কিত বিলগুলো নিয়ে শাসক ও বিরোধী সংসদ সদস্যদের মধ্যে বিতর্কের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ লোকসভায় বিরোধীদের জবাব দেন এবং তারপর ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়।

লোকসভায় বিতর্ক চলাকালীনই প্রায় আড়াই বছর আগে পাশ হয়ে যাওয়া নারী সংরক্ষণ আইনটি হঠাৎ করেই কার্যকর করে দেওয়া হয় বৃহস্পতিবার ১৬ই এপ্রিল থেকে।

এই আইনে সংসদ ও রাজ্য বিধানসভাগুলিতে নারীদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে, সরকারের প্রস্তাবিত সংবিধান (১৩১তম সংশোধনী) বিল ২০২৬-এ বলা হয়েছে যে, আসন সংরক্ষণ কার্যকর করা হবে নির্বাচনি আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের ভিত্তিতে।