কর্ণফুলীতে জামায়াতে ইসলামীর যুব সংগঠনের হামলায় যুবদল ও ছাত্রদলের ৮ জন গুরুতর আহত হয়েছে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারী) তারাবির নামাজের পর উপজেলার বড়উঠান ফাজিল খার হাট বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, উপজেলা যুবদলের সদস্য শাহেদুল আলম টিটু, বড়উঠান ইউনিয়ন কৃষকদলের সদস্য মন্জুর আলম, ছাত্রদল নেতা মোঃ ইমন, যুবদল নেতা মোঃ ফারুক, মানিক, ছাত্রদল নেতা মোঃ রিয়াদ, মোঃ রাকিবসহ আরও একজন।
ঘটনার পর ফাজিল খার হাট বাজারস্থ পিএবি সড়কে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের শতাধিক নেতাকর্মী প্রতিবাদ মিছিল বের করে। পরে কর্ণফুলী জোন সহকারী কমিশনার এসপি ও পুলিশ প্রশাসন এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
জানা গেছে, গত ১২ ফেব্রুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দৌলতপুর দীঘির পাড় ৩নং ওয়ার্ড ভোট কেন্দ্রে এক হিন্দু ভোটারকে মারধর করেন জামায়াতের কর্মী। এ বিষয়ে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীর সাথে কথা-কাটাকাটি হয়। এ ঘটনার জের ধরে তারাবির নামাজের পর স্থানীয় জামায়াতের যুব সংগঠনের সেক্রেটারি মোঃ আলমগীরের নেতৃত্বে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীর উপর সশস্ত্র হামলা চালিয়ে আটজনের বেশি নেতাকর্মী আহত হওয়ার অভিযোগ উঠে। আহতদেরকে পাশ্ববর্তী আনোয়ারা মেডিকেলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তিনজনকে গুরুতর অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।
দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য এস এম ফারুক হোসেন বলেন, ‘সংসদ নির্বাচনে হিন্দু পাড়ার সর্বোচ্চ ভোটার দেখে জামায়াতের নেতাকর্মীরা বিশৃঙ্খলা করেন। এ ঘটনার রেশ ধরে স্থানীয় যুবদল ও ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী দৌলতপুর জামে মসজিদে নামাজ পড়তে গেলে জামায়াতের যুব সংগঠনের সেক্রেটারির নেতৃত্বে হামলা করেন।’ খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তাদের সামনে জামায়াতের কর্মীরা আমাদের কর্মীদের উপর রামদা, কিরিচ আর লাঠিসোটা দিয়ে মারধর করে। এ ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। ঘটনার সাথে জড়িত দুষ্কৃতকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানায়।
কর্ণফুলী জোনের সহকারী কমিশনার (এসপি) মোঃ জামাল উদ্দীন চৌধুরী বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ঘটনার সাথে জড়িত দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।







