বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, ঈদের সময় যাত্রীরা টিকেট কিনতে গিয়ে দেখেছেন অব্যবস্থাপনা, বিশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি। যে আশা নিয়ে আত্মীয় স্বজনদের সাথে দেখা করবে সেমাই খাবে তার আনন্দ তো এখানেই মাটি হয়ে গেলো।
সোমবার দুপুরে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়নের নিজ এলাকায় স্থানীয়দের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
জনগণের সাথে ধোকাবাজি চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মন্ত্রী বলেছেন অতিরিক্ত ভাড়া ফেরত দেয়া হবে। এতো মানুষ ঢাকা ছেড়েছে। তাদের টাকা ফেরত দিতে তাদের পাবেন কিভাবে?
সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, নির্বাচন শেষ হয়েছে। অনিয়ম হলেও আমরা মেনে নিয়েছি। দেশটা অচল না হোক। আপনারা যদি সঠিক ধারায় ফিরে না আসেন তাহলে সারাদেশের মানুষ কিন্তু জুলাই যোদ্ধা। এই মানুষগুলো আপনাদের ক্ষমা করবে না।
তিনি আরো বলেন, সরকার বিরোধীদলীয় নেতাকে যে বাড়িv দিয়েছে সেই বাড়িতে থাকবো না। এটি ব্যবহার করবো দেশের প্রয়োজনে। সেখানে বিদেশী মেহমানদের নিয়ে কথা বলব। শুধু রাষ্ট্রের কাজে এটি ব্যবহার করা হবে।
প্রাণবন্ত এ শুভেচ্ছা বিনিময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, সিলেট মহানগর আমির ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মো. ফখরুল ইসলাম,কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও সিলেট মহানগরী নায়েবে আমীর হাফেজ মাওলানা আনোয়ার হোসাইন খাঁন,কেন্দ্রীয় মজলিসের শূরা সদস্য ও সাবেক জেলা আমির মোঃ আব্দুল মান্নান ,সিলেট মহানগরী মজলিশে শুরা সদস্য আব্দুস সালাম আল মাদানী, জেলা নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুর রহমান, জেলা সেক্রেটারি মো. ইয়ামির আলী,দক্ষিণ সুরমা উপজেলা উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা লোকমান আহমেদ, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান সাইফুল্লাহ আল হোসাইন, সাবেক জেলা সেক্রেটারি খন্দকার আব্দুস সোবহান ও আব্দুল হামিদ খান, উপজেলা নায়েবে আমীর জাকির আহমেদ, সেক্রেটারি বেলাল আহমদ চৌধুরী,উপজেলা শূরা সদস্য রাজানুর রহিম ইফতেখার, জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি মো. ফরিদ উদ্দিন, শহর সভাপতি কাজী দাইয়ান আহমেদ প্রমুখ।
নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে
ঈদের প্রচন্ড ব্যস্ততার মাঝে ও নিজ এলাকায় আসায় জনগণ খুশি। বাড়িতে প্রবেশের আগে তিনি নিজ গ্রামের কবরস্থানে গিয়ে জিয়ারত করেন। বিশাল মোটর সাইকেল বহর নিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয়।আজ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রায় ৪ হাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন ও মেহমানের সাথে দুপুরের খাবার গ্রহণ করেন।
তিনি আরো বলেন, সরকারে থেকে চাঁদাবাজি করতে হয় না। আমরা সরকারের কণ্ঠে শুনতে চাই, আর বাংলাদেশে চাঁদাবাজি হবে না, মানুষের উপর জুলুম হবে না। যদি সরকার এটা করেন আমরা সরকারের সকল ইতিবাচক কাজে সহযোগিতা করবো, সমর্থন করবো। কিন্তু যে পদক্ষেপ জনস্বার্থের বিপক্ষে যাবে আমরা তার প্রতিবাদ করবো, না মানলে প্রতিহত করবো।













