ইসরাইলি হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলি লারিজানি। তার শূন্যস্থান পূরণ করা সহজ হবে না বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বিশ্লেষকের মতে, এই প্রবীণ রাজনীতিবিদ ছিলেন দেশের অন্যতম প্রধান সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী এবং একজন দক্ষ নীতিনির্ধারক। তিনি শাসকগোষ্ঠীর অভ্যন্তরে ও আন্তর্জাতিকভাবে শিবিরের সঙ্গে কাজ করতে পারতেন।
আইন অনুযায়ী, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানই পরবর্তী জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা নিয়োগ করবেন এবং এমন জল্পনা চলছে যে শাসকগোষ্ঠীর প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব সাঈদ জালিলি এই পদে আসতে পারেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের এ পদের জন্য সাধারণত সর্বোচ্চ নেতার কোনো প্রতিনিধিকে বেছে নেওয়া হয়। লারিজানির মৃত্যু জালিলিকে একটি সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে দাঁড় করিয়েছে– তিনি এর আগে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, প্রধান পারমাণবিক নীতিনির্ধারক ছিলেন এবং বর্তমানে এক্সপেডিয়েন্সি ডিসার্নমেন্ট কাউন্সিলের সদস্য।
ইয়েল ইউনিভার্সিটির প্রভাষক, ইতিহাসবিদ ও ইরান–বিষয়ক বিশ্লেষক আরশ আজিজি বলেন, ‘জালিলি একজন কট্টরপন্থী নেতা। তিনি ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার সবচেয়ে কট্টর পশ্চিমাবিরোধী অংশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।’
তিনি বলেন, ‘জালিলি একজন কট্টরপন্থি এবং পশ্চিমা-বিরোধী নেতা।’
আজিজি আরো বলেন, ‘অভিজাত বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী ইরানে প্রকৃত ক্ষমতার বেশিরভাগটাই ধরে রেখেছে। তাই তারা এমন কাউকে চাইতে পারে যার সামরিক অভিজ্ঞতা বেশি এবং যিনি বর্তমান পরিস্থিতির জন্য উপযুক্ত।’
সূত্র: সিএনএন

















