বাংলাদেশ ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মৌলভীবাজারে বড় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেলো ছোট ভাইয়ের।

মৌলভীবাজার শহরে পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ছোট ভাই নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শহরের সার্কিট হাউজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত তামিম (১৪) সাহেদ আলীর ছেলে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, তামিম তার বড় ভাই হানিফের ছেলেকে শাসন করাকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে উত্তেজনা বাড়লে বড় ভাই হানিফ ধারালো ছুরি দিয়ে তামিমকে আঘাত করেন। ছুরিকাঘাতের পরপরই ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তামিমের মৃত্যু হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, আট ভাইবোনের মধ্যে সবার ছোট ছিলো তামিম। তার আকস্মিক মৃত্যুর খবরে পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া। হাসপাতালে স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। প্রিয় সন্তানের মৃত্যু মেনে নিতে না পেরে বারবার জ্ঞান হারাচ্ছেন তার মা।

ঘটনার খবর পেয়ে মৌলভীবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।

মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পারিবারিক একটি তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া এই হত্যাকাণ্ডে স্থানীয়দের মধ্যেও বিস্ময় ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।

মৌলভীবাজারে বড় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেলো ছোট ভাইয়ের।

প্রকাশিত: ০৯:৫৫:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

মৌলভীবাজার শহরে পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ছোট ভাই নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শহরের সার্কিট হাউজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত তামিম (১৪) সাহেদ আলীর ছেলে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, তামিম তার বড় ভাই হানিফের ছেলেকে শাসন করাকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে উত্তেজনা বাড়লে বড় ভাই হানিফ ধারালো ছুরি দিয়ে তামিমকে আঘাত করেন। ছুরিকাঘাতের পরপরই ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তামিমের মৃত্যু হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, আট ভাইবোনের মধ্যে সবার ছোট ছিলো তামিম। তার আকস্মিক মৃত্যুর খবরে পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া। হাসপাতালে স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। প্রিয় সন্তানের মৃত্যু মেনে নিতে না পেরে বারবার জ্ঞান হারাচ্ছেন তার মা।

ঘটনার খবর পেয়ে মৌলভীবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।

মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পারিবারিক একটি তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া এই হত্যাকাণ্ডে স্থানীয়দের মধ্যেও বিস্ময় ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।