বাংলাদেশ ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধর্মের নাম ব্যবহার করে মানুষের বিশ্বাসকে পুঁজি করে বেহেশতের টিকিটের লোভ দেখানো হচ্ছে” – এম নাসের রহমান

ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের প্রবণতার কঠোর সমালোচনা করেছেন মৌলভীবাজার -৩ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী এম নাসের রহমান। তিনি মন্তব্য করেছেন,
“ধর্মের নাম ব্যবহার করে মানুষের সহজ-সরল বিশ্বাসকে পুঁজি করে বেহেশতের টিকিটের লোভ দেখানো হচ্ছে। রাজনীতির নামে এ ধরনের প্রতারণা আসলে নৈতিক দেউলিয়াপনারই বহিঃপ্রকাশ।”
তিনি সাধারণ ভোটারদের বেদনাবোধের কথাও তুলে ধরেছেন। তার মতে, বর্তমান বাস্তবতায় ভোট দেওয়ার সময় তুলনামূলক বিচার-বিশ্লেষণের সুযোগ অত্যন্ত সীমিত হয়ে পড়েছে। বিএনপির বাইরে এখনো কোনো রাজনৈতিক দল জনগণের সামনে স্পষ্টভাবে তাদের রাষ্ট্র পরিচালনার মিশন ও ভিশন উপস্থাপন করতে পারেনি।
এই প্রেক্ষাপটে দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের মধ্যে এক ধরনের নীরব আকাঙ্ক্ষা জন্ম নিচ্ছে উল্লেখ করে এম নাসের রহমান বলেন, “অনিশ্চয়তার রাজনীতিতে মানুষ একটি দিকনির্দেশনা ও ভরসার নাম খুঁজছে। আর সেই জায়গায় দেশের জনগণ তারেক রহমানকেই বিকল্প হিসেবে দেখছে।”
তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ এখন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে চায়। তারা এমন একটি নেতৃত্ব প্রত্যাশা করে, যার হাতে দেশ পরিচালনার ভার তুলে দিলে অন্তত ভবিষ্যৎ নিয়ে আস্থা ও নিশ্চয়তা পাওয়া যাবে। সেই বিশ্বাস ও প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দুতে আজ তারেক রহমান অবস্থান করছেন।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ বক্তব্যে তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় গেলে শিক্ষা ব্যবস্থাকে কীভাবে আলোকিত করা হবে, বেকারত্ব কীভাবে কার্যকরভাবে কমানো সম্ভব, স্বাস্থ্যখাতে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন কীভাবে আনা যাবে এবং নারীর ক্ষমতায়নে কী কী বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়া হবে—এসব বিষয়ে জনগণের সামনে একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরছে।
তিনি বলেন, “পরিকল্পনা, ভিশন ও মিশন ছাড়া দেশ পরিচালনা সম্ভব নয়। অথচ একটি রাজনৈতিক জোট বারবার ভাঙা রেকর্ডের মতো একই কথা আওড়াচ্ছে—‘আমরা ক্ষমতায় গেলে চাঁদাবাজি বন্ধ করবো’। কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। নানা কৌশল ও মুখোশের আড়ালে তাদেরই চাঁদাবাজির শীর্ষ তালিকায় দেখা যাচ্ছে।”
এম নাসের রহমান আরও বলেন, যাদের মুখে নেই দেশ গড়ার কোনো দর্শন, নেই রাষ্ট্র পরিচালনার সুস্পষ্ট ভাবনা এবং নেই জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা—এমন একটি জোটের ওপর মানুষ কীভাবে আস্থা রাখবে, সেটাই আজ সাধারণ মানুষের বড় প্রশ্ন।

ধর্মের নাম ব্যবহার করে মানুষের বিশ্বাসকে পুঁজি করে বেহেশতের টিকিটের লোভ দেখানো হচ্ছে” – এম নাসের রহমান

প্রকাশিত: ১০:৫৩:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের প্রবণতার কঠোর সমালোচনা করেছেন মৌলভীবাজার -৩ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী এম নাসের রহমান। তিনি মন্তব্য করেছেন,
“ধর্মের নাম ব্যবহার করে মানুষের সহজ-সরল বিশ্বাসকে পুঁজি করে বেহেশতের টিকিটের লোভ দেখানো হচ্ছে। রাজনীতির নামে এ ধরনের প্রতারণা আসলে নৈতিক দেউলিয়াপনারই বহিঃপ্রকাশ।”
তিনি সাধারণ ভোটারদের বেদনাবোধের কথাও তুলে ধরেছেন। তার মতে, বর্তমান বাস্তবতায় ভোট দেওয়ার সময় তুলনামূলক বিচার-বিশ্লেষণের সুযোগ অত্যন্ত সীমিত হয়ে পড়েছে। বিএনপির বাইরে এখনো কোনো রাজনৈতিক দল জনগণের সামনে স্পষ্টভাবে তাদের রাষ্ট্র পরিচালনার মিশন ও ভিশন উপস্থাপন করতে পারেনি।
এই প্রেক্ষাপটে দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের মধ্যে এক ধরনের নীরব আকাঙ্ক্ষা জন্ম নিচ্ছে উল্লেখ করে এম নাসের রহমান বলেন, “অনিশ্চয়তার রাজনীতিতে মানুষ একটি দিকনির্দেশনা ও ভরসার নাম খুঁজছে। আর সেই জায়গায় দেশের জনগণ তারেক রহমানকেই বিকল্প হিসেবে দেখছে।”
তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ এখন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে চায়। তারা এমন একটি নেতৃত্ব প্রত্যাশা করে, যার হাতে দেশ পরিচালনার ভার তুলে দিলে অন্তত ভবিষ্যৎ নিয়ে আস্থা ও নিশ্চয়তা পাওয়া যাবে। সেই বিশ্বাস ও প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দুতে আজ তারেক রহমান অবস্থান করছেন।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ বক্তব্যে তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় গেলে শিক্ষা ব্যবস্থাকে কীভাবে আলোকিত করা হবে, বেকারত্ব কীভাবে কার্যকরভাবে কমানো সম্ভব, স্বাস্থ্যখাতে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন কীভাবে আনা যাবে এবং নারীর ক্ষমতায়নে কী কী বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়া হবে—এসব বিষয়ে জনগণের সামনে একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরছে।
তিনি বলেন, “পরিকল্পনা, ভিশন ও মিশন ছাড়া দেশ পরিচালনা সম্ভব নয়। অথচ একটি রাজনৈতিক জোট বারবার ভাঙা রেকর্ডের মতো একই কথা আওড়াচ্ছে—‘আমরা ক্ষমতায় গেলে চাঁদাবাজি বন্ধ করবো’। কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। নানা কৌশল ও মুখোশের আড়ালে তাদেরই চাঁদাবাজির শীর্ষ তালিকায় দেখা যাচ্ছে।”
এম নাসের রহমান আরও বলেন, যাদের মুখে নেই দেশ গড়ার কোনো দর্শন, নেই রাষ্ট্র পরিচালনার সুস্পষ্ট ভাবনা এবং নেই জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা—এমন একটি জোটের ওপর মানুষ কীভাবে আস্থা রাখবে, সেটাই আজ সাধারণ মানুষের বড় প্রশ্ন।