বাংলাদেশ ০৩:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদ্দামের নেতৃত্বে জকসুতে শিবিরের প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় ভূমিধস বিজয়

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দামের নেতৃত্বে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে শিবির সমর্থিত প্যানেল শীর্ষ পদগুলোতে ভূমিধস বিজয় অর্জন করেছে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে ৩৯টি কেন্দ্রের ফলাফল একত্রিত করে নির্বাচন কমিশনাররা চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন।
ফলাফলের বিশদ অনুযায়ী, ভিপি পদে শিবির সমর্থিত মো. রিয়াজুল ইসলাম ৫,৫৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী একেএম রাকিব (ছাত্রদল) পেয়েছেন ৪,৬৮৮ ভোট। এতে রিয়াজুল ৮৭৬ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন।

দীর্ঘ ৩৮ বছরের বিরতির পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সমর্থিত প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্যানেলকে পরাজিত করে শিবিরের প্যানেল জকসুতে প্রাধান্য দেখায়।

সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে শিবির। এ পদে আব্দুল আলিম আরিফ ৫ হাজার ৪৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ২ হাজার ২০৩ ভোট। আরিফ ৩ হাজার ২৬৭ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন।

এছাড়া সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদেও শিবিরের মাসুদ রানা ৫,০২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বি এম আতিকুর রহমান তানজিল (ছাত্রদল) পেয়েছেন ৩,৯৪৪ ভোট। মাসুদ রানা ১,০৫৮ ভোট ব্যবধানে জয় লাভ করেন।

নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৬ জানুয়ারি, সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত। উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। মোট ভোটার ছিলেন ১৬,৬৪৫ জন। ভোট গণনার প্রাথমিক সময়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ছাপ থাকলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শিবির সমর্থিত প্যানেল একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করে এবং বড় ব্যবধানে বিজয় নিশ্চিত করে।

সাদ্দামের নেতৃত্বে জকসুতে শিবিরের প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় ভূমিধস বিজয়

প্রকাশিত: ০১:০২:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দামের নেতৃত্বে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে শিবির সমর্থিত প্যানেল শীর্ষ পদগুলোতে ভূমিধস বিজয় অর্জন করেছে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে ৩৯টি কেন্দ্রের ফলাফল একত্রিত করে নির্বাচন কমিশনাররা চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন।
ফলাফলের বিশদ অনুযায়ী, ভিপি পদে শিবির সমর্থিত মো. রিয়াজুল ইসলাম ৫,৫৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী একেএম রাকিব (ছাত্রদল) পেয়েছেন ৪,৬৮৮ ভোট। এতে রিয়াজুল ৮৭৬ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন।

দীর্ঘ ৩৮ বছরের বিরতির পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সমর্থিত প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্যানেলকে পরাজিত করে শিবিরের প্যানেল জকসুতে প্রাধান্য দেখায়।

সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে শিবির। এ পদে আব্দুল আলিম আরিফ ৫ হাজার ৪৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ২ হাজার ২০৩ ভোট। আরিফ ৩ হাজার ২৬৭ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন।

এছাড়া সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদেও শিবিরের মাসুদ রানা ৫,০২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বি এম আতিকুর রহমান তানজিল (ছাত্রদল) পেয়েছেন ৩,৯৪৪ ভোট। মাসুদ রানা ১,০৫৮ ভোট ব্যবধানে জয় লাভ করেন।

নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৬ জানুয়ারি, সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত। উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। মোট ভোটার ছিলেন ১৬,৬৪৫ জন। ভোট গণনার প্রাথমিক সময়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ছাপ থাকলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শিবির সমর্থিত প্যানেল একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করে এবং বড় ব্যবধানে বিজয় নিশ্চিত করে।