যুক্তরাজ্য বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার এম লিয়াকত আলী বলেছেন, স্বৈরাচার পালিয়েছে কিন্তু ষড়যন্ত্র থেমে নেই। আজকে বাংলাদেশে যে নাম সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে তা হচ্ছে সংস্কার। বাংলাদেশের সংস্কারের প্রবর্তক ছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। শুরু করেছিলেন ১৯ দফা দিয়ে। বাকশালের প্রেতাত্মা থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ছিলেন।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের ভিআইপি গেইটের সামনে সাংবাদিকদেরকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, পরবর্তীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে বাংলাদেশে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছেন। তিনি ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশের তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছিলেন। বেগম খালেদা জিয়া ভিশন ২০৩০ ঘোষণা করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় ১৩ জুলাই ২০২৩ সালে গণতন্ত্র মুক্তির মহানায়ক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ঘোষণা করেছেন রাস্ট্র সংস্কারের ৩০ দফা। সবশেষে বলবো, অপেক্ষার পালা শেষ। আমাদের প্রিয় নেতা আগামী মাসেই বাংলাদেশে আসছেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ব্যারিস্টার এম লিয়াকত আলী ফাউন্ডেশন এর প্রধান উপদেষ্টা মো. শওকত আলী, সমন্বয়ক ফয়ছল আহমেদ, আজিজ মিয়া, মুর্শেদ মুন্না, হারুন উর রশিদ, আকমল হোসেন, জসিম উদ্দিন, সদর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আবুল হোসেন, মৌলভীবাজার জেলা কৃষকদল সদস্য সজলু মিয়া, আবুল বাশার সুমন, ক্রিড়া ও নাট্য সম্পাদক আলাউদ্দিন, বিএনপি নেতা রুহেল শিকদার, সেচ্ছাসেবক দল নেতা শাহেদ আহমদ, যুবদল নেতা সুমন আহমদ, আব্দুল হামিদ পিন্টু, শেফুল আহমদ, জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি সায়েদ মিয়া প্রমূখ।
















