মৌলভীবাজারে বাজারে বাজারে জনসংযোগে নেমেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য নাসের রহমান।
শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে তিনি সদর উপজেলার কামালপুর ইউনিয়নের নতুন ব্রিজ ও থানাবাজার এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচির লিফলেট বিলি করেন।
এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ তার সঙ্গে ছিলেন। বাজারের ব্যবসায়ী, দোকানি ও পথচারীদের সঙ্গে করমর্দন ও সংলাপের সময় নাসের রহমান বলেন, “৩১ দফা হচ্ছে জনগণের মুক্তির পথনকশা— দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের ঘোষণা।”
নাসের রহমান সাধারণ মানুষের খোঁজখবর নেন, তাদের সমস্যা শোনেন এবং আগামী নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান।
এ সময় বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত থেকে লিফলেট বিলির পাশাপাশি বিগত ১৭ বছরের অবৈধ শাসন ও উন্নয়ন বঞ্চনার চিত্র তুলে ধরেন। তারা বলেন, মৌলভীবাজারে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, রাস্তাঘাট সংস্কার ও জনসেবা খাতে দীর্ঘদিন ধরে স্থবিরতা বিরাজ করছে।
জনতার উদ্দেশ্যে এম. নাসের বলেন, “বিগত ১৬ বছর আমরা কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারিনি। জনগণের নির্বাচিত কোনো প্রতিনিধি ছিল না। সব ভূয়া এমপি ও মন্ত্রী ছিল, যারা জনগণের নয়, ক্ষমতার আশীর্বাদে এমপি হয়েছেন। এদের লজ্জা-শরম কিছুই ছিল না। এবার ইনশাআল্লাহ আগামী ফেব্রুয়ারিতে একটি প্রপার নির্বাচন হবে— যেখানে জনগণ ভোট দিতে পারবে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করব।”
তিনি আরও বলেন, “মৌলভীবাজার গত ১৬ বছর ধরে উন্নয়ন বঞ্চিত। রাস্তাঘাট ভাঙাচোরা, নতুন রাস্তা হয়নি, পুরোনো রাস্তাও সংস্কার করা হয়নি। ইনশাআল্লাহ বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এলে আমরা প্রথমেই গ্রামীণ রাস্তাঘাট পুনর্বাসন করব, প্রয়োজনীয় ডিপ টিউবওয়েল স্থাপন করব, মসজিদ-মন্দির-মাদরাসা ও স্কুলে অনুদানের ব্যবস্থা করব। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাত পুনর্গঠন করে আড়াইশ শয্যা বিশিষ্ট মৌলভীবাজার জেনারেল হাসপাতালকে আধুনিকায়ন করা হবে এবং শমসেরনগর বিমানবন্দর আবার চালু করা হবে।”
জনসংযোগ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন— মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলহাজ্ব আব্দুল মুকিত, জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও কামালপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ফয়সল আহমেদ, সদস্য বকসী মিছবাউর রহমান, মো. ফখরুল ইসলাম, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুজিবুর রহমান মজনু, রাজনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম শেলুন, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মারুফ আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সফিউর রহমান শফি, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজল মাহমুদসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।










