বাংলাদেশ ১০:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ১১০টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফলে তিনি মোট ১ লাখ ৩৩ হাজার ১৬২ ভোট পান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আবু নসর আশরাফী পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৭৭ ভোট।

১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পরদিন বিকেলেই তাকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি একজন রাজনীতিবিদ, লেখক ও সাবেক সংসদ সদস্য। এর আগে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৫৭ সালের ২৬ মার্চ চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন মিলন। মাধ্যমিক শেষ করেন শেরেবাংলা নগর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবং উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন গভর্নমেন্ট ইন্টারমিডিয়েট টেকনিক্যাল কলেজ (বর্তমান সরকারি বিজ্ঞান কলেজ) থেকে। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করে ১৯৮২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে যান।

তিনি নিউইয়র্ক ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে এমবিএ ডিগ্রি লাভ করেন। পরবর্তীতে ব্রুকলিন কলেজ ও বোরো অব ম্যানহাটন কমিউনিটি কলেজে সহকারী প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং পেশাগত জীবনে ওষুধ শিল্পে রসায়নবিদ হিসেবে কাজ করেন। ২০১৮ সালে International Islamic University Malaysia থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তার গবেষণার বিষয় ছিল বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ভূমিকা।

১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে চাঁদপুর-১ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০১ সালের ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনি তৎকালীন আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও সাবেক মন্ত্রী মহিউদ্দীন খান আলমগীর-কে পরাজিত করেন।

শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন

প্রকাশিত: ০৯:৫২:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ১১০টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফলে তিনি মোট ১ লাখ ৩৩ হাজার ১৬২ ভোট পান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আবু নসর আশরাফী পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৭৭ ভোট।

১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পরদিন বিকেলেই তাকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি একজন রাজনীতিবিদ, লেখক ও সাবেক সংসদ সদস্য। এর আগে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৫৭ সালের ২৬ মার্চ চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন মিলন। মাধ্যমিক শেষ করেন শেরেবাংলা নগর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবং উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন গভর্নমেন্ট ইন্টারমিডিয়েট টেকনিক্যাল কলেজ (বর্তমান সরকারি বিজ্ঞান কলেজ) থেকে। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করে ১৯৮২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে যান।

তিনি নিউইয়র্ক ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে এমবিএ ডিগ্রি লাভ করেন। পরবর্তীতে ব্রুকলিন কলেজ ও বোরো অব ম্যানহাটন কমিউনিটি কলেজে সহকারী প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং পেশাগত জীবনে ওষুধ শিল্পে রসায়নবিদ হিসেবে কাজ করেন। ২০১৮ সালে International Islamic University Malaysia থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তার গবেষণার বিষয় ছিল বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ভূমিকা।

১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে চাঁদপুর-১ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০১ সালের ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনি তৎকালীন আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও সাবেক মন্ত্রী মহিউদ্দীন খান আলমগীর-কে পরাজিত করেন।