বাংলাদেশ ০৮:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আওয়ামী লীগ নেতার কবর জিয়ারত করে প্রচারে জাপা প্রার্থী, তীব্র সমালোচনা

আওয়ামী লীগের সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী আনিছুল হকের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে নির্বাচনি প্রচারে নেমেছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী ও সাবেক এমপি আনিসুল ইসলাম মণ্ডল।

শনিবার বিকেলে তিনি রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের চৌধুরীপাড়ায় আনিছুল হকের কবর জিয়ারত করেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি নেতারা এবং জুলাই যোদ্ধারা এই কার্যক্রমের তীব্র সমালোচনা করেছেন।

বিষ্ণুপুর এলাকার আলম মিয়া ও মনসুর আলী বলেন, আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। আওয়ামী লীগ যেভাবে সাধারণ মানুষকে নির্যাতন করেছে, তার সব সমর্থন দিয়েছে জাতীয় পার্টি। সেই স্বৈরাচারের সহযোগী প্রার্থী আনিসুল মণ্ডল কবর জিয়ারতের মাধ্যমে ভোটের জন্য নীতি-নৈতিকতা বিসর্জন দিয়েছেন। ফলে তার ব্যক্তিগত ইমেজ ক্ষুণ্ণ হয়েছে।

জুলাই যোদ্ধা সুমন ও ইমতিয়াজ (ইমতি) বলেন, জাতীয় পার্টির সব কার্যক্রম বন্ধ করে তাদের বয়কটের আহ্বান করা উচিত।

বদরগঞ্জের বিএনপি নেতা হাসান বলেন, “আওয়ামী লীগের ভোটের আশায় জাপার প্রার্থী কবর জিয়ারত করেছেন। তবে স্বৈরাচারের দোসরকে কেউ ভোট দেবে না।”

এনসিপি নেতা রমজান আলী ও ফাইজুল ইসলাম দাবি করেন, আওয়ামী লীগের অপরাধ সত্ত্বেও তাদের সমর্থন করা জাতীয় পার্টিকে চিরতরে নিষিদ্ধ করে নেতাকর্মীদের আইনের আওতায় আনা উচিত।

বদরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও জামায়াত নেতা গোলজার হোসেন বলেন, “আওয়ামী লীগ কখনো ভালো ছিল না, জাতীয় পার্টিও কখনো ভালো হবে না। এখনই জাতীয় পার্টির সব কার্যক্রম বন্ধ ও দলটি নিষিদ্ধ করা উচিত।”

আনিসুল ইসলাম মণ্ডলের দেহরক্ষী নজরুল ইসলাম বলেন, শনিবার বিকেলে প্রার্থী কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে আনিছুল হকের কবর জিয়ারত করেন। এরপর এলাকায় বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে কথা বলে ভোট চাওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, কবর জিয়ারত করা কোনো অপরাধ নয়।

আওয়ামী লীগ নেতার কবর জিয়ারত করে প্রচারে জাপা প্রার্থী, তীব্র সমালোচনা

প্রকাশিত: ০৮:৩৩:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

আওয়ামী লীগের সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী আনিছুল হকের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে নির্বাচনি প্রচারে নেমেছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী ও সাবেক এমপি আনিসুল ইসলাম মণ্ডল।

শনিবার বিকেলে তিনি রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের চৌধুরীপাড়ায় আনিছুল হকের কবর জিয়ারত করেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি নেতারা এবং জুলাই যোদ্ধারা এই কার্যক্রমের তীব্র সমালোচনা করেছেন।

বিষ্ণুপুর এলাকার আলম মিয়া ও মনসুর আলী বলেন, আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। আওয়ামী লীগ যেভাবে সাধারণ মানুষকে নির্যাতন করেছে, তার সব সমর্থন দিয়েছে জাতীয় পার্টি। সেই স্বৈরাচারের সহযোগী প্রার্থী আনিসুল মণ্ডল কবর জিয়ারতের মাধ্যমে ভোটের জন্য নীতি-নৈতিকতা বিসর্জন দিয়েছেন। ফলে তার ব্যক্তিগত ইমেজ ক্ষুণ্ণ হয়েছে।

জুলাই যোদ্ধা সুমন ও ইমতিয়াজ (ইমতি) বলেন, জাতীয় পার্টির সব কার্যক্রম বন্ধ করে তাদের বয়কটের আহ্বান করা উচিত।

বদরগঞ্জের বিএনপি নেতা হাসান বলেন, “আওয়ামী লীগের ভোটের আশায় জাপার প্রার্থী কবর জিয়ারত করেছেন। তবে স্বৈরাচারের দোসরকে কেউ ভোট দেবে না।”

এনসিপি নেতা রমজান আলী ও ফাইজুল ইসলাম দাবি করেন, আওয়ামী লীগের অপরাধ সত্ত্বেও তাদের সমর্থন করা জাতীয় পার্টিকে চিরতরে নিষিদ্ধ করে নেতাকর্মীদের আইনের আওতায় আনা উচিত।

বদরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও জামায়াত নেতা গোলজার হোসেন বলেন, “আওয়ামী লীগ কখনো ভালো ছিল না, জাতীয় পার্টিও কখনো ভালো হবে না। এখনই জাতীয় পার্টির সব কার্যক্রম বন্ধ ও দলটি নিষিদ্ধ করা উচিত।”

আনিসুল ইসলাম মণ্ডলের দেহরক্ষী নজরুল ইসলাম বলেন, শনিবার বিকেলে প্রার্থী কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে আনিছুল হকের কবর জিয়ারত করেন। এরপর এলাকায় বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে কথা বলে ভোট চাওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, কবর জিয়ারত করা কোনো অপরাধ নয়।