বাংলাদেশ ১০:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ব্যবসায়ীকে অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে ঢাবি ছাত্রদল নেতা শাওন আটক

রাজধানীর গুলশানে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে মারধর এবং মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন শাওনকে আটক করেছে পুলিশ।

এই ঘটনায় শাওন এবং মোহাম্মদ ইদ্রিস নামের আরেক ব্যক্তিসহ মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গুলশান এলাকায় অভিযান চালিয়ে শাওন ও ইদ্রিসকে আটক করা হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

মামলার বাদী ট্রাভেল এজেন্সির মালিক শেখ নাঈম আহমেদের অভিযোগ, ব্যবসায়িক কাজে গুলশানে গেলে তাকে অপহরণ করা হয়।

এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, ছাত্রদল নেতা শাওন দুবাইয়ের বিমান টিকিট কেনার কথা বলে তার অবস্থান জেনে নেয়। পরে শাওন, ইদ্রিস, হেলালসহ অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জন তাকে জোর করে একটি রেস্টুরেন্টে নিয়ে যায়।
সেখানে তার ফোন, ল্যাপটপ ও মানিব্যাগ কেড়ে নিয়ে ৩৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

টাকা দিতে অস্বীকার করলে তাকে লেকপাড়ে নিয়ে মারধর এবং হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

পরবর্তীতে, শুক্রবার গভীর রাতে মোটরসাইকেলে করে তাকে হাতিরঝিলের দিকে নেওয়ার পথে একটি যৌথ বাহিনীর চেকপোস্টে তারা ধরা পড়েন।

এসময় শাওন ও ইদ্রিসকে আটক করা গেলেও বাকি অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। যৌথ বাহিনী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর আটককৃতদের গুলশান থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী এবং অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।
গুলশান থানা কর্তৃপক্ষ মামলা রুজু হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও বিস্তারিত কোনো তথ্য দেয়নি।

ব্যবসায়ীকে অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে ঢাবি ছাত্রদল নেতা শাওন আটক

প্রকাশিত: ০৪:০৯:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

রাজধানীর গুলশানে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে মারধর এবং মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন শাওনকে আটক করেছে পুলিশ।

এই ঘটনায় শাওন এবং মোহাম্মদ ইদ্রিস নামের আরেক ব্যক্তিসহ মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গুলশান এলাকায় অভিযান চালিয়ে শাওন ও ইদ্রিসকে আটক করা হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

মামলার বাদী ট্রাভেল এজেন্সির মালিক শেখ নাঈম আহমেদের অভিযোগ, ব্যবসায়িক কাজে গুলশানে গেলে তাকে অপহরণ করা হয়।

এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, ছাত্রদল নেতা শাওন দুবাইয়ের বিমান টিকিট কেনার কথা বলে তার অবস্থান জেনে নেয়। পরে শাওন, ইদ্রিস, হেলালসহ অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জন তাকে জোর করে একটি রেস্টুরেন্টে নিয়ে যায়।
সেখানে তার ফোন, ল্যাপটপ ও মানিব্যাগ কেড়ে নিয়ে ৩৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

টাকা দিতে অস্বীকার করলে তাকে লেকপাড়ে নিয়ে মারধর এবং হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।

পরবর্তীতে, শুক্রবার গভীর রাতে মোটরসাইকেলে করে তাকে হাতিরঝিলের দিকে নেওয়ার পথে একটি যৌথ বাহিনীর চেকপোস্টে তারা ধরা পড়েন।

এসময় শাওন ও ইদ্রিসকে আটক করা গেলেও বাকি অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। যৌথ বাহিনী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর আটককৃতদের গুলশান থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী এবং অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।
গুলশান থানা কর্তৃপক্ষ মামলা রুজু হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও বিস্তারিত কোনো তথ্য দেয়নি।